মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি

১৮৬৩ সালে পাংশা থানা প্রতিষ্ঠা পায়৷ তবে কয়টি ইউনিয়ন নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয় তা সঠিক নয়। ১৯৮০ সনের দিকে এই থানার অন্তগত ছোট বড় সর্বমোট ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা দেখা যায়। ১৯৮২ সনের ০৭ নভেম্বর পাংশা খানাকে উপজেলায় উন্নিত করা হয়। পাংশা কে উপজেলায় রূপদান করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ঠ মন্ত্রী জনাব মেজর জেনারেল মোহাব্বত জান চৌধুরী মহোদয়। এরপর ১৯৯০ সনের ১৭ জানুয়ারী পাংশা উপজেলা ভবন নির্মাণের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন জনাব মোহাম্মদ আবু হেনা মহোদয়।এভাবে ২০১২ সাল পর্যন্ত ১৭টি ইউনিয়ন ছিল পাংশা উপজেলাধীন। ২০১৩ সালে পাংশা উপজেলাকে দ্বিখন্ডিত করা হয় এবং কালুখালী উপজেলা নামে নতুন আরেকটি উপজেলার জন্ম হয় পাংশা ভাগ হয়ে। বর্তমানে পাংশা উপজেলার আওতায় ১০ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা রয়েছে। পাংশার নামকরণ এর অনেক পূর্ব থেকে  প্রচলিত ছিল তা সহজেই অনুমান করা যায়৷ বাংলাদেশ পপুলেশান সেনসাসে এর নামকরণ সম্বন্ধে দুটি মত ব্যক্ত করা হয়েছে৷ পাঞ্জুশাহ নামক একজন ধর্ম প্রচারক সুদূর আরব থেকে এখানে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে আসেন৷ তার সঙ্গী ছিলেন পাঁচ আউলিয়া৷ তাদের নাম পাংশা উপজেলায় রক্ষিত৷ পাঞ্জুশাহ থেকে পানজু থেকে পান এবং শা যোগে নাম হয়েছে পাংশা৷ পাংশা উপজেলার ইতিহাস লেখক শেখ মুহাম্মদ সবুর উদ্দিন এ মতটিই সর্মথন করেছেন৷ ষোড়শ শতকের দিকে যিনি পাংশা ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে আসেন তিনি হযরত শাহজুঁই৷ তিনি আফগানিস্তান থেকে আগমন করেন৷ পাংশায় তার মাজার শরীফ রয়েছে৷এছাড়া অনেকে অনেক যুক্তী দেখিয়েছেন পাংশা সম্পর্কে।

 

ভৌগলিক অবষ্থানঃ পাংশা মৌজা হিসেবে মূলতঃ নারায়নপুর মৌজা৷ পাংশা থানার আয়তন ২৫১.৩৭ বর্গকিলোমিটার৷ নদী বেষ্টিত পাংশা ২২°৪০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°১৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত৷ পাংশার এই জনপদ ১৮৫৯ সাল পর্যন্ত পাবনা জেলাধীন কুমারখালী মহকুমার অর্ন্তগত ছিল৷